পুরুষের যৌঃন চাহিদা/সক্ষমতা কত বছর বয়স পর্যন্ত থাকে????


 #পুরুষের যৌঃন চাহিদা/সক্ষমতা কত বছর বয়স পর্যন্ত থাকে????


#উত্তরঃ-নীরদের ক্ষেত্রে ৪৫ থেকে ৫৫ বছরে মেনোপজ হয়। অর্থাৎ মাসিক বন্ধ হয়ে যায়।।ফলে এই বয়স সীমার মাঝে নারীরা হারায় প্রজনন ক্ষমতা।


➡️কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে এমন না।।। সে:ক্স হরমোন টেস্টোস্টেরন যতদিন থাকে ততদিন সক্ষমতা থাকে।।।

 

➡️সাধারণত কোন পুরুষের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস,  ওজন বেশি থাকে তাদের ৪৫-৫০ বছরে হ্রাস পায়।


➡️বেশির ভাগ সুস্থ পুরুষের ৭০ বছরের পর যৌঃন ক্ষমতা কমে।। কম অংশই ৮০ বছরেও বাচ্চার বাবা হতে পারে।।।


পুরু বিষয়টি নির্ভর করে ফিটনেসের উপর।।।


পুরুষের মেনোপজকে বলা হয় অ্যান্ডোপজ। তখন সে:ক্স হরমোন টেস্টোস্টেরন কমে যেতে থাকে, যৌ:ন চাহিদা কমে যায়। সেরকম চাহিদা থাকে না।



#কীভাবে বুঝবেন যে আপনার টেস্টোস্টেরন কমে যেতে শুরু করেছে???


এর কতগুলো সাধারণ উপসর্গ বা লক্ষ্মণ  আছে। যেমন সারাক্ষণ ক্লান্ত অবসন্ন লাগা, মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া বা দুর্বল মনে হওয়া। বিষণ্নতা, যৌ:ন ইচ্ছা কমে যাওয়া এবং যৌ:ন অক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। 


এমনকি নারীদের মতো মুড সুইং বা খিটখিটে মেজাজ দেখা দেয়। এমন সব সমস্যা দেখা। মাত্রা অস্বাভাবিক কম হলে কারণ নির্ণয় করার জন্য আরও কিছু পরীক্ষা করারও প্রয়োজন হতে পারে। কারণ, শুধু বয়স বাড়া বা অ্যান্ড্রোপজ ছাড়াও টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়ার আরও কিছু কারণ আছে। যেমন:- অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, প্রলেকটিন হরমোন বেড়ে যাওয়া, হাইপোগোনাডিজম ইত্যাদি। 


দুঃখের বিষয় হলো আজকাল স্মার্ট যুগে স্মার্ট হতে গিয়ে অকালেই যৌ,ব,ন বিনষ্ট হচ্ছে।। ২০-২৫ বছরেই অনেকে যৌ,ব,ন আর থাকছে না অটুট।। 


প র্নো গ্রা ফি, হ স্ত মৈ থুন, ঘষাঘষি এসবই দায়ী। 


#দূর করা কি সম্ভব?


নারীদের মতো পুরুষের যৌ:ন ও প্রজনন জীবন সমাপ্তির কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। কেউ কেউ সত্তরোর্ধ বয়সেও পূর্ণভাবে সক্ষম থাকতে পারেন। এটি নির্ভর করে অনেকটাই জীবনযাত্রার ধরনের ওপর। দীর্ঘদিন সক্ষম থাকতে এবং টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ঠিক থাকতে আপনি কী করতে পারেন?


*করনীয়:-

১. ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।


২.ধূমপান বর্জন করুন।


৩. অতিরিক্ত অ্যালকোহল এবং নানা ধরনের নেশাদ্রব্য দ্রুত অ্যান্ড্রোপজের দিকে ঠেলে দেয়। এসব এড়িয়ে চলুন।


৪.বিষণ্নতা, মানসিক চাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, ইত্যাদি সমস্যা বাড়ায়।


৫.স্থূলতা বা ওবেসিটি একটা বড় কারণ। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।


৬.নিয়মিত হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন। এটি ফিটনেস বজায় রাখতে সাহায্য করবে।


৭.সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।


৩ বেলা খাবারের পাশাপাশি খেতে পারেন। তবে, আপনাকে  হ:স্ত:মৈ:থু:ন,  ফোন সে*ক্স,  স:ম:কা:মি:তা,  ঘষাঘষি,  আকাম-কুকাম,  প:তি:তা:ল:য়ে গমন বন্ধ করতে হবে ১০০০০০০%.। এগুলো অভ্যাস হয়ে গেলে সহজে ত্যাগ করা যায় না। তাই আগে বাগে সচেতনতা তৈরি করতে হবে, সচেতন হতে হবে।।। নিজের চরিত্র নিজে সংশোধন করতে না পারলে কারও পরামর্শ, সাজেশন জীবনেও কাজে আসবে না।। 


মনে রাখবেন যৌঃন সমস্যা যত পুরাতন আরোগ্য হতেও তত সময় লাগে।।।  ম্যাজিকের মত বা রাতারাতি, ২৪ ঘন্টা, ৭ দিন, ১৫ দিন, ১ মাসের যে সকল বিজ্ঞাপন দেখেন বাস্তবতা সে রকম না।।। সমস্যা সৃষ্টি হয়ে গেলে আরোগ্য হতে কি পরিমাণ কষ্ট হয় সেটা ভুক্তভোগী ছাড়া আর কেউ টের পায় না।।।  সাবধান হোন ভায়েরা আমার।।।।


প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়:-

 সকালে:-


১. ১-টি সিদ্ধ ডিম সাথে 

২. ১ গ্লাস/ কাপ দুধ খাবার পর।

৩. ১ চামিচ খাঁটি মধু। 

৪. খেজুর যে কোন দামের ৮-১০টি।


দুপুরে:-

১. ১০-১২ টি কিসমিস। 

২. ১টি পাকা কলা।


বিকালে:-

১. ১০-১২ টি খেজুর দামি বা কম দামী।

২. ১০-১২ টি চীনা বাদাম। কাঠ বাদাম বা কাজু বাদাম হলে ৩-৪টি।।

৩. সম্ভব হলে ১টি ডিম।

৪. ১ চা চামিচ মধু


রাতে,

শুধু রাতের খাবার খান।


সম্ভব হলে ১ মুট ছোলা বুট সিদ্ধ বা ভেজা যেটাই পছন্দ হয়।।।


আপনার মত করে মডিফাই করে নেন খাবার গুলো। ভরা বা খালি পেটে কোন সমস্যা না।।


আপনার অর্থনৈতিক সচ্ছলতা উপর, টাকার উপর, আপনার ক্রয় করার ক্ষমতার উপর আপনি চেষ্টা করুন।।

(স্থা/\ ভাবে সহবাস করুন)

Previous Post Next Post